সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা
ঃ -
সমকালীন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামাজিক ও রাজনৈতিক মঞ্চে ২০০৮ থেকে মার্কিন অর্থনীতির
মন্দা কে কেন্দ্র করে, এবং সেই অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক লগ্নীপূঁজির কাছে বন্ধক
রাখা যেসব দেশীয় অর্থনীতি এখন পক্ষাঘাতগ্রত অবস্থায় দিন কে দিন সর্বসাধারণের ওপর
এই সঙ্কটের বোঝা চাপাবার চেষ্টা করছে, সেই সব দেশের জনমনের ক্ষোভ কে নিরসন করতে,
সঙ্কটের বিরুদ্ধে সংঘটিত ক্ষোভ ও আন্দোলন কে প্রতিহত করতে, সর্বজনের মধ্যে
পরিচিতিস্বত্ত্বাভিত্তিক বিভেদের বীজ বপন করতে, উন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে চরম দক্ষিনপন্থা ধর্মীয়, বা
জাতিগত বা পরিচিতিস্বত্ত্বার জিগির তুলে, চরম দক্ষিনপন্থা ধর্মীয়, জাতিগত বা
পরিচিতস্বতার আবরণে রাজনৈতিক রণাঙ্গনে মাথা চাড়া দিয়ে গনতান্ত্রিক ধ্যানধারণা মুল্যবোধকে
চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমান গ্রীসে আই এম এফ নির্দেশিত কৃচ্ছসাধনে দায়বদ্ধ সরকারের নীতির ফলে , সেখান কার সংখ্যাগরিষ্টের প্রতিবাদ ও
প্রতিরোধের মধ্যেও চরম দক্ষিণ পন্থী ফ্যাসীবাদী রাজনৈতিক দল গোল্ডেন ডন গ্রীসের কেন্দ্রীয় নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য আসন
লাভ করেছে। এই গোল্ডেন ডন সেখানে জাতিগত বিদ্বেষ, বিদেশ থেকে আগত পরযায়ী শ্রমিক,
বামপন্থী, ট্রটস্কী পন্থী, অন্যান্য গনতান্ত্রিক দল ও তাদের সমর্থকদের ওপরে গুণ্ডাবাহিনী লেলিয়ে
দিয়ে নানান দমন পীড়ন এর সন্ত্রাসবাদী কার্য্যকলাপে লিপ্ত। বলা বাহুল্য এদের পেছনে
ও মদত দিতে আন্তর্জাতিক লগ্নীপূঁজির অর্থনৈতিক, মতাদর্শ গত সমর্থন রয়েছে তাদের বংশদবদ সংবাদমাধ্যমে ও নানাবিধ পন্থায়। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সঙ্কটের
সাথে যুক্ত সঙ্কটে পড়া জাতিরাষ্ট্রের অর্থনীতির
কারণে জনজীবনের দৈনন্দিন জীবনে নেমে আশা নানান সমস্যা যথা মূল্যবৃদ্ধ, বেকারী,
বৈষম্য, সামাজিক নীপিড়নের বিরুদ্ধে সচেতনতার সাথ্যে জনগনের গনতান্রিক দাবী দাওয়া
পক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রামে অনেক জাতি রাষ্ট্রের শাসকদল তার গনতান্ত্রিক চরিত্র বিসর্জন দিয়ে এইসব চরম দক্ষিণ পন্থী
ফ্যাসীবাদী দল এর অবৈধ কার্য্যকলাপ কে ন্যায় নীতির বিকৃতি সাধন করে বৈধতা দিচ্ছে
কিছু মুষ্টমেয় ধনিক শ্রেনীর স্বার্থে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝে ইউরোপের রাজনৈতিক মঞ্চে মাথা তুলে দাঁড়ায় এক চরম দক্ষিনপন্থী
জাতবিদ্বেষী মানবতা ও গনতন্ত্র বিরোধী শক্তি যার পোষাকি নাম “ফ্যাসিবাদ”। এই
ফ্যাসিবাদ কথাটার অভিধানিক বুৎপত্তি ল্যাটিন ভাষায় ‘Fassi’ বা লাঠীর গোছা এবং দার্শনিক বুৎপত্তি আক্রমণ থেকে।
পূঁজিবাদ বিকাশের আপেক্ষিক শান্তিপর্বে
ফ্যাসিবাদী দর্শণ ভাইরাস জীবানুর মতন সুপ্ত নিষ্ক্রিয় থাকে, কিন্ত এর উত্থানে উর্বর জমি প্রস্তুত করে সঙ্কটের
অবধারিত নিয়মে গড়ে ওঠা বিকাশমান পূঁজিবাদে।
এই ফ্যাসিবাদী প্রবনতা বিভিন্ন জাতিরাষ্ট্রে সমাজ বিকাশের নিরিখে ইতিহাসে
নানান জাতিগত, ধর্মীয়, পরিচিতি স্বত্বার
পভৃতি দর্শণকে পরিগ্রহ করে। ফ্যাসিবাদের স্থায়ী বিকাশের পেছনে সব সময়ে কাজ করে
সন্ত্রস্ত ফিনান্স পূঁজি। সঙ্কটের ভয়ে ভীত
ফিনান্স পূঁজি তার শেষ রাজনীতিক আশ্রয়
খোজে ফ্যাসিবাদের মধ্যে। ইতালিতে ফ্যাসিবাদের বিকাশের পেছনে কাজ করেছে প্রথম
বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তি চরম অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক
সঙ্কট, আর জার্মানীতে ফ্যাসিবাদের বিকাশের পেছনে ছিল ১৯২৫ থেকে শুরু হওয়া
বিশ্ব কৃষি সঙ্কট এবং তারপরে ১৯২৯ সালের শিল্প ক্ষেত্রে মহা মন্দা। আমাদের দেশে
একচেটিয়া পূঁজিবাদ এক চরম সঙ্কটের ঘূর্নাবর্তে আবদ্ধ। এই সঙ্কট যতই তীব্র হচ্ছে
পূজিবাদীদের পক্ষ থেকে নরেন্দ মোদীর স্তুতি
ক্রমশ আলাদা মাত্রা পাচ্ছে। প্রতিবেশী রাজ্য পাকিস্তানে নির্বাচনী গনতান্রিক
প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্যায়ে সে দেশের মানুষ তাদের সরকারকে
নির্বাচিত করেছে। ভারত – পাক নেতৃত্ব যতবার নিজেদের মধ্যে উভয় দেশের বানিজ্যিক ও
কূটনৈতিক স্বার্থে বৈঠক করতে উৎসাহ দেখাচ্ছে, ততবার দুই দেশের সীমান্তে অস্থিরতা
সৃষ্টি হচ্ছে পাক দেশের সেনা বাহিনী ও সেদেশের মৌলবাদীদের একাংশের দ্বারা। এই
ফলাফল প্রকারান্তে রসদ জোগাচ্ছে আমাদের দেশের উগ্র হিন্দুত্ববাদী মৌলবাদী শক্তিগুলিকে
। পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিকদের কাছে ভারত বিরোধী,
বিদ্বেষী তত্ত্ব আর স্লোগান আর মনোভাবের অগ্রাধিকার আর নেই। তাই তারা নিজেদের জীবন
জীবীকার স্বার্থে এবং দেশের স্বার্থের আকাঙ্ক্ষা পরিলক্ষিত হয়েছে তাদের নির্বাচনের
রায়ে। কিন্ত পাক দেশের অতীতের কয়েক দশক ধরে সামরিক বাহিনীর
একাংশ ও মৌলবাদীদের দ্বারা প্রতক্ষ্য বা প্ররোক্ষ্যে নিয়ন্ত্রিত
গনতন্ত্রবিরোধী স্বৈরাচারী শক্তি দেশের অর্থনীতিকে বেহাল দশায় পর্যবসিত করেছে। তাই এই ব্যবস্থা সেই
দেশের জনগন প্রত্যাক্ষ্যান করে, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। কিন্ত সামরিকা বাহিনীর একাংশ ও মৌলবাদীরা দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া বানচাল করতে চায় কারণ
সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যুদ্ধ ছাড়া নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে না। বর্তমানে
পাকিস্তানের নির্বাচিত সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে, জনসমক্ষ্যে সরকারী প্রাক-নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি (ভারতের সাথে
সুসম্পর্ক বিস্তার সেই দেশের স্বার্থে) রুপায়ণে নানা প্রতিবন্ধকতা সর্বদা সচেষ্ট পাক-দেশের মধ্যে
সাম্রাজ্যবাদ মদতপূষ্ট সেনাবাহিনীর একাংশ ও মৌলবাদী ভারতবিরোধী শক্তি গুলি।
তাই বারে বারে দুই দেশের মধ্যে শান্তির প্রচেষ্টা কে বিঘ্নিত করে, দুই
দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক জটিল পরিস্থিত সৃষ্টি করছে এই মৌলবাদী-সামরিক জোট। জটিল হচ্ছে উপমহাদেশের এই দুই প্রধান দেশে
মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক। এই জটিল পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে এই দুই দেশের
সাম্প্রদায়িক শক্তি। এই জটিল সমীকরণ কে কাজে লাগাতে চাইছে দেশী – বিদেশী কর্পরেট
মহল ও আন্তর্জাতিক লগ্নিপূঁজির প্রবক্তারা
এবং তাদের সেবাদাস কর্পোরেট পরিচালিত সংবাদমাধ্যম।
দেশের ভেতর এই সমীকরণ কে কাজে লাগাচ্ছে কর্পরেট মদতপূষ্ট “বিকাশ পূরুষ” মোদি। বর্তমান সরকারের জনবিরোধী নব্যউদারনৈতিক
অর্থনীতির প্রবক্তারা যে কর্পোরেট মহল ও
তাদের মুনাফার স্বার্থের পরিপন্থী তা নয়, কিন্ত এই নীতিগুলির জনমনে অর্থনৈতিক , সামাজিক
গ্রহণযোগ্যতা দিন কে দিন হারিয়ে যাচ্ছে সমাজদেহে বেকারির তীব্রতা, অস্বাভাবিক
মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি চড়া হার, কৃষিক্ষেত্রে তীব্র সঙ্কট, ক্রমবর্ধমান
দারিদ্র, অপূষ্টি, নেতা-মন্ত্রী-আমলা- কর্পোরেট যোগসাজশে পাহাড় প্রমাণ দূর্নীতির
মাধ্যমে । দেশের মধ্যে সঙ্কটে পড়া পূঁজিবাদ চায় তার সব দায় জনগনের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে সাম্রাজ্যবাদ পরিচালিত
লগ্নীপূঁজির স্বার্থে তাই এই কর্পোরেট মহলের মাধ্যমে উদারবাদী অর্থনৈতিক সংস্কারের স্টিমরোলার
চালাতে। বর্তমান রাষ্ট্র্য ব্যবস্থায় যতটুকু জনকল্যানমূলক প্রকল্পগুলো চালু আছে,
মুনালোভী হাঙ্গর কায়েমী স্বার্থবাদীদের কাছে তাও পরিত্যাজ্য নীতি। তাই
শাসকের চাই শোষনবাদী নীতিকে
অক্ষূন্ন রেখে, বা সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে শোষনের তীব্রতা বাড়াতে,
শাসকশ্রেণীর মুখোশ পালটাতে। কিছু কর্পোরেট
সেবাদাস কিছু সংবাদমাধ্যম দেশবাসীর কাছে নরেন্দ্র
মোদিকে তুলে ধরতে চায় “বিকাশ পূরূষ” হিসেবে , সঙ্কটে পড়া পূঁজিবাদ উদারবাদী
রাষ্ট্রে , তার অর্থনৈতিক সঙ্কট ও ক্রমহ্রাসমান গ্রহনযোগ্যতা ও বৈধতা থেকে
নিস্কৃতি পেতে। মনমোহন- চিদাম্বারম- মন্টেক তাই আজ এই পুঁজিবাদের কাছে ব্রাত্য। পূর্ব
প্রান্তে আছে ইসলামসংখ্যাগরিষ্ট মানুষের বসবাসকারী ধর্মনীরপেক্ষ্য দেশ, বাংলাদেশ।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের জামানায় সেখানে বিভিন্ন প্রগতিশীল শক্তি ও দল গনতন্ত্র
ও ধর্মনিরপেক্ষতা কে বিকশিত করতে দূর্বার
আন্দোলন ও সংগ্রাম করে চলেছে। দূনিয়ার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন ও শান্তিকামী জনমন কম্পিত ও অনুপ্রানিত হলো শাহবাগ আন্দোলনের
দূর্দান্ত ও প্রানবন্ত জোয়ারে। মিশরের তেহেরীর স্কোয়ারে ‘আরব বসন্তে’। আওয়ামী লীগ
সরকারের নানান আভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা স্বত্বেও, হাসিনা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন,
ভারতের সাথে দুই দেশের স্বার্থে জল, জমি, বানিজ্যিক ও কুটনৈতিক সমস্যা নিরসন করতে।
প্রাথমিক চুক্তি অনুযায়ী হাসিনা বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন ভারত বিরোধী শক্তি গুলো
কে নিষ্কৃয় করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাংলাদেশের সাথে বানিজ্যক ও অন্যান্য
কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত হলে, বাংলাদেশের সাথে ভারতবর্ষ এর সুফল লাভ করবে। ভারতবর্ষ
পক্ষ্যে মূলত পশ্চিমবঙ্গের মাধম্যে দক্ষিণপুর্ব এশিয়ায় বাণিজ্যিক পথ প্রসারিত হবে।
এমতন নানান চুক্তি রুপায়ণে ব্যর্থতার ফলে, হাসিনাকে তার নির্বাচকমণ্ডলীর কাছে
জবাবদিহি হতে হবে। এইসব ব্যর্থতার ফল রসদ যোগাবে সে দেশে অবস্থিত নানান ভারত
বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি অ মৌলবাদী সংগঠন গুলিকে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও
ধর্মনীরেপক্ষ্য শক্তি গুলির সামনে এখন সবথেকে বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ পরলিক্ষিত হচ্ছে
যখন সমকালীন বাংলাদেশের বিভিন্ন উপনির্বাচনে মৌলবাদী রাজনৈতিক শক্তি গুলি জয়ী
হচ্ছে এবং বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটছে সেই দেশের সমাজে। এই
উপমহাদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রে সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটলে নানান সমস্যায় নুয়ে
পড়া সাধারণ মানুষের জীবন জীবীকার ওপর আঘাত আনার রাস্তা আরো প্রস্বস্ত হবে।
সঙ্কুচিত হবে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পরিধি ও আঘাতপ্রাপ্ত হবে অর্জিত অধিকার।
মৌলবাদী সুবিধেবাদী কায়েমি স্বার্থবাদীদের বৃহৎ কর্পরেট কোম্পানীর খিদে মেটাতে
সাধারণ মানুষের ওপর চালাবে তুমুল শোষণ অ বঞ্চণা। সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সুযোগ
নিয়ে মৃতুর কারবারিরা সাম্রাজ্যশক্তির
মদতে যুদ্ধে উস্কানি ও জিগির তুলতে পারে।
হিটলার ও মুসোলিনীর ফ্যাসিস্ট শক্তির উত্থান ঘটেছিল এইমত আর্থ-সামাজিক- রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপটে এবং ফ্যাসিবাদের উত্থানের সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল কিছু বৃহৎ
বহুজাতিক কর্পরেট কোম্পানি। যদিও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয় না, কিন্ত ইতিহাস আমাদের সবথেকে বড় শিক্ষক। ফ্যাসিবাদ তাই
ফিরে ফিরে আসে নানা রুপে, রঙে । এক চেটিয়া পূঁজিবাদের কোনো ধর্মীয় রঙ নেই, তার
একটাই ধর্ম মুনাফা, আরো মুনাফা। সেই মুনাফা কে সুরক্ষিত করতে কোনো দেশের
সাম্প্রদায়িক শক্তি কে মদত দিতে, কোনো স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ
বিষয়ে নাক গলিয়ে সেদেশের গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের রায়ে নিয়ে আসা সরকার কে
উচ্ছেদ করতে, কোনো দেশে রাজতন্ত্র কী মদত দিতে পিছুপা হয় না। বিশ্বের স্বঘোষিত
গণতান্ত্রিক এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার পক্ষ্যে সাওয়াল কারী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
তাই সৌদি আরব কে মদত দেয়, বাহরিনে সেনা পাঠিয়ে সেখানকার রাজতান্ত্রীক স্বৈরাচারী
শাসকের বিরদ্ধে গড়ে ওঠা গনতান্ত্রিক আন্দোলনকে চুরমার করতে। সিরিয়া ও ইরানকে ঘিরে
চলছে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী পরিকল্পনা। একসময়ের
শত্রু মৌলবাদী জঙ্গি গোষ্টি আল-কায়দা ও আল নুসরা হয়ে যায় পরিবর্তিত
পরিস্থিতিতে সাম্রাজ্যবাদী দোসর।


No comments:
Post a Comment